বড়ই ভাগ্যবান তাইজুল
কোচ হাতুরুসিংহেই বলুন, কিংবা স্টিভ রোডস।তাইজুলের গায়ে টেস্ট বোলারের স্টিকারটা লাগিয়ে দিয়েছিলেন তারা দু'জনেই। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে অভিষেক ওয়ানডে ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক সহ ৪ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড।
তারপরও বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থেকেও খেলার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১ ম্যাচ ! হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ম্যাচে উইকেটহীন কেটে যাওয়ায় পরবর্তীতে লম্বা সময় ওয়ানডে স্কোয়াড থেকে বাদ তাইজুল।
১৭ মাস পর ওয়ানডেতে প্রত্যাবর্তনটা সুখকর নয়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ২ ম্যাচে ১ উইকেট। তাতেই আর এক দফা লম্বা বিরতি।ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনে অপেক্ষা করতে হয়েছে এই বাঁ হাতি স্পিনারকে ৩৪ মাস।
আগের দুই হেড কোচের চোখে সাদা বলে বাতিল এই স্পিনার রাসেল ডোমিঙ্গোর নজরে এসেছেন। প্রথম ৫ বছরে যে ছেলেটি খেলেছে মাত্র ৪টি ম্যাচ, সেই তাইজুল বাংলাদেশের সর্বশেষ ৬ ওয়ানডে ম্যাচের ৫টিতেই খেলেছেন ! পেয়েছেন ৭ উইকেট।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে ৩ ম্যাচে শিকার করেছেন ৬ উইকেট ! সাকিব বিহীন দলে বাঁ হাতি স্পিনারের প্রয়োজন মেটাতে এমন বোলারকেই খুঁজছিলেন ডোমিঙ্গো।২৮ বছরে এসে টি-২০তেও হয়েছে তাইজুলের অভিষেক। খেলেছেন ২ ম্যাচ।
রাসেল ডোমিঙ্গোর সুপারিশেই লাল এবং সাদা বলে অপরিহার্য বলে বিবেচ্য তাইজুল। লাল বলে 'বি' এবং সাদা বলে 'ডি' ক্যাটাগরিতে এক বছরের জন্য হয়েছেন চুক্তিবদ্ধ। বেতন বৃদ্ধির আনুপাতিক হার-এ সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন তাইজুল।গত বছর যে ছেলেটি বিসিবি'র কেন্দ্রীয় চুক্তিতে মাসে ১ লাখ টাকা বেতন পেতেন, সেই ছেলেটি নতুন চুক্তিতে পাবেন মাসে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ! ১ বছরের ব্যবধানে বেতন বৃদ্ধির হার ২৫০%!
আসলেই কপালটা ভাল তাইজুলের। সাকিবের অনুপস্থিতিই কপাল খুলে দিয়েছে তার। কোচের পছন্দ বলেও কথা

Comments
Post a Comment